
স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এখন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও বিশ্লেষণ চলছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), ফলে দলটির দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও সংগ্রামী নারী নেত্রীদের নামই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার বিবেচনায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছেন বিএনপির সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফরিদা মনি শহীদুল্লাহ। পেশাগত জীবনে তিনি ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলাস্টিকার সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি জাতীয় মহিলা সংস্থার ঢাকা জেলার সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষীর সহ-সভাপতি, গুলশান ক্লাব লিমিটেডের নির্বাচন কমিটির সদস্য এবং গুলশান লেডিস কমিউনিটি ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া গুলশান থানা বিএনপির সাবেক সভাপতির দায়িত্বসহ দেশি-বিদেশি নানা সংগঠনে তার সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে।
ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বোন খুরশিদা জাহান হকের (চকলেট আপা) ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন। পারিবারিকভাবে তিনি একটি ঐতিহ্যবাহী ও বিদ্বৎসমৃদ্ধ পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন; উপমহাদেশের খ্যাতিমান ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ তাঁর দাদা।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। এ সময় একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হওয়া এবং বিরোধী পক্ষের হামলা-নির্যাতনের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।
সমগ্র রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনায় ফরিদা মনি শহীদুল্লাহকে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য পদের জন্য একজন সম্ভাবনাময় ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যখন তাদের রাজনৈতিক দল গঠনে কৌশলী ভূমিকা রাখছে, তখন সম্ভাব্য তালিকায় তার নাম উঠে আসা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Если возникли непредвиденные ситуации на дороге, просто воспользуйтесь заказать эвакуатор москва недорого — это быстро и удобно!
Эвакуаторы являются неотъемлемой частью автомобильного сервиса сегодня.